|
Article in other languages:
|
এস্তোনিয়া (এস্তোনীয় ভাষায় Eesti এস্তি) উত্তর-পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। সরকারীভাবে এর নাম এস্তোনিয়া প্রজাতন্ত্র (Eesti Vabariik এস্তি ভাবারিক)। এর রাজধানীর নাম তাল্লিন। এস্তোনিয়া দেশটি বাল্টিক সাগরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত। এস্তোনিয়া বাল্টিক দেশগুলির মধ্যে ক্ষুদ্রতম এবং সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত। লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়া অপর দুইটি বাল্টিক রাষ্ট্র। এস্তোনিয়ার পশ্চিমে বাল্টিক সাগরের অপর প্রান্তে সুইডেন অবস্থিত। দক্ষিণে রয়েছে লাতভিয়া, পূর্বে রাশিয়া, এবং উত্তরদিকে ফিনল্যান্ড উপসাগরের অপর তীরে ফিনল্যান্ড। এস্তোনিয়া মূলত জলা ও প্রাচীণ অরণ্যে পূর্ণ একটি নিম্নভূমি। দেশটির উপকূলীয় জলসীমায় বহু দ্বীপ আছে। এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বাল্টিক সমুদ্রবন্দর এবং দেশের বৃহত্তম শহর। এস্তোনিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ জাতিগতভাবে এস্তোনীয়। বহু বছর বিদেশী শাসন সত্ত্বেও এস্তোনীয়রা তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সংস্কৃতি ধরে রেখেছে। এদের সংস্কৃতি অনেকাংশেই নর্ডীয় দেশগুলির সংস্কৃতির অনুরূপ। এস্তোনীয় ভাষাটির সাথে ফিনীয় ভাষার মিল আছে। রুশরা দেশটির সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীগুলির মধ্যে বৃহত্তম। এস্তোনিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ হবার পর এখানে অনেক রুশ বসতি স্থাপন করে। দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ১৩ লক্ষ। ১৯৪০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বলপ্রয়োগ করে এস্তোনিয়া ও অন্যান্য বাল্টিক রাষ্ট্রগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। এর আগে এগুলি ১৯১৮ সাল থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল। ১৯১৮ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি এস্তোনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। এস্তোনিয়া ১৯৯১ সালের ২০শে আগস্ট পুনরায় স্বাধীনতা অর্জন করে। শীঘ্রই সোভিয়েত আমলের সাম্যবাদী প্রতিষ্ঠানগুলি বিলুপ্ত করা হয় এবং গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা ও মুক্ত বাজার অর্থনীতি গ্রহণ করা হয়। এই সংস্কারগুলি বাস্তবায়নের সূত্র ধরে ২০০৪ সালের ১লা মে এস্তোনিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে এবং একই বছরের ২৯শে মার্চ থেকে দেশটি ন্যাটো জোটভুক্ত।
ইতিহাসরাজনীতিপ্রশাসনিক অঞ্চলসমূহভূগোলঅর্থনীতিজনসংখ্যাসংস্কৃতিআরও দেখুন
বহিঃসংযোগএই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।
Questions for article: |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
This article is from Wikipedia. All text is available under the terms of the GNU Free Documentation License.
IHS Europe: Infrared Heating Systems for Home and Business.